–আচ্ছা,,রনি কাল তো আমার জন্মদিন তুমি আমাকে কোথাও বেড়াতে নিয়ে যাবা নাহ???–নাহ রে বাবা,,জানো তো কাছে টাকা পয়সা নাই।
এমন সময় এসব কথা রাখো তো।
রনির কথায় অনেক টা কষ্ট পায় নীরা।
সে রনির পাশ থেকে উঠে হেটে চলে যায়।
অন্তত নীরাকে আটকানো উচিত ছিল রনির।
কিন্তু সেটাও করলো নাহ।
সে রনির পাশ থেকে উঠে হেটে চলে যায়।
অন্তত নীরাকে আটকানো উচিত ছিল রনির।
কিন্তু সেটাও করলো নাহ।
রনি এমনটা করতে পারলো।
না নীরা এসব ভাবতে পারতেছে নাহ।
না নীরা এসব ভাবতে পারতেছে নাহ।
পিছনে ফিরে দেখে রনি কখন যেন উঠে চলে গেছে।
নীরা ও কাদতে কাদতে বাসায় চলে যায়।
নীরা ও কাদতে কাদতে বাসায় চলে যায়।
রাতে নীরা ভেবেছিল হয়ত রনি ফোন করে হলেও তাকে প্রথম উইস করবে।
কিন্তু ফোন তো দুরে থাকা একটা এস এম এস ও দিল নাহ।
কিন্তু ফোন তো দুরে থাকা একটা এস এম এস ও দিল নাহ।
রনি টা কেমন যেন হয়ে গেছে।
এমন তো ছিল নাহ।
তবে কি রনি অন্য কারো
নাহ কিসব ভাবছে নীরা।
রনি তাকে অনেক ভালোবাসে।
হয়ত জব পায়নি তাই অনেক টেনশন।
এমন তো ছিল নাহ।
তবে কি রনি অন্য কারো
নাহ কিসব ভাবছে নীরা।
রনি তাকে অনেক ভালোবাসে।
হয়ত জব পায়নি তাই অনেক টেনশন।
ছেলেটাকে কিছু টাকা দিয়ে আসা উচিত ছিল।
এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল নীরা।
মাঝ রাত্রে হঠাত কী ভেবে যেন ঘুম ভেংগে যায় নীরার।
ফোন টা ও অফ।
এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল নীরা।
মাঝ রাত্রে হঠাত কী ভেবে যেন ঘুম ভেংগে যায় নীরার।
ফোন টা ও অফ।
উঠে জানালার পর্দা সরাতে বাইরে কিছু একটা দারিয়ে রয়েছে।
ভালো করে দেখতেই,
আরে এটাতো রনি।
এত রাতে এখানে কী করে।
ভালো করে দেখতেই,
আরে এটাতো রনি।
এত রাতে এখানে কী করে।
নীরা নিচে নেমে কোনো প্রশ্ম করার আগেই প্রচন্ড শক্ত করে নীরা কে জরিয়ে ধরেছে রনি।
নাহ,,ছেলেটা কিছুতেই ছাড়ছে নাহ।
আর নীরার ও ছাড়ানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
আর নীরার ও ছাড়ানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
কিন্তু নীরার জন্মদিনের গিফট কই??
নীরা একটু রেগে বলল।
কিন্তু নাহ ছেলেটা কেমন যেন বাচ্চাদের মত কান্না করছে।
আর রনি কান্না করলে বাচ্চাদের মতই লাগে।
নীরার অবশ্যই দেখতে মজাই লাগে।
নীরা একটু রেগে বলল।
কিন্তু নাহ ছেলেটা কেমন যেন বাচ্চাদের মত কান্না করছে।
আর রনি কান্না করলে বাচ্চাদের মতই লাগে।
নীরার অবশ্যই দেখতে মজাই লাগে।
আচ্ছা রনি আমার জন্মদিনের কেক কই??
দারাও বলে রনি একটু এগিয়ে গিয়ে একটা কেক নয়ে আসলো।
তারপর দুজন মিলে……
দারাও বলে রনি একটু এগিয়ে গিয়ে একটা কেক নয়ে আসলো।
তারপর দুজন মিলে……
–রনি কত বাজে সময় টা একটু বলবা।
–৩টা ২৫।
কেন নীরা চলে যাবা??
–আগে বলো তুমি এখানে এসেছো কয়টায়??
–বাদ দাও নাহ।
–৩টা ২৫।
কেন নীরা চলে যাবা??
–আগে বলো তুমি এখানে এসেছো কয়টায়??
–বাদ দাও নাহ।
–আমাকে রাগিও নাহ তো।
বলো।
–১১:৪৫মিনিটে।
–তার মানে এত সময় ধরে এখানে দাড়িয়ে ছিলে তাই তো??
–হুম,,অবশ্য তোমার ফোন বন্ধ ছিল।
–থাকবেই তো তখন ওমন করছিলা কেন??
–আসলে আমি জব টা পেয়ে গেছি তাই একটু মজা করলাম।
–সত্যি বলছো।
–সত্যি কিন্তু বেতনটা একটু কম।
চলবে তো??
–ঢের চলবে।
আচ্ছা তুমি কাল আমাদের বাসায় এসো তো বাবার সাথে দেখে করবা।
–আচ্ছা আসব।
বলো।
–১১:৪৫মিনিটে।
–তার মানে এত সময় ধরে এখানে দাড়িয়ে ছিলে তাই তো??
–হুম,,অবশ্য তোমার ফোন বন্ধ ছিল।
–থাকবেই তো তখন ওমন করছিলা কেন??
–আসলে আমি জব টা পেয়ে গেছি তাই একটু মজা করলাম।
–সত্যি বলছো।
–সত্যি কিন্তু বেতনটা একটু কম।
চলবে তো??
–ঢের চলবে।
আচ্ছা তুমি কাল আমাদের বাসায় এসো তো বাবার সাথে দেখে করবা।
–আচ্ছা আসব।
কখন যে আযান পড়েছে কেউ খেয়াল করেনি।
নীরা বাসায় চলে গেল আর রনি ও চলে গেল।
.
সকালে অবশ্য রনি গিয়েছলল নীরার বাবার কাছে কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।
নীরার বাবা নাহ করে দিয়েছেন রনিকে।
নীরা বাসায় চলে গেল আর রনি ও চলে গেল।
.
সকালে অবশ্য রনি গিয়েছলল নীরার বাবার কাছে কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।
নীরার বাবা নাহ করে দিয়েছেন রনিকে।
বলেছেন রনি যেন নীরাকে ভুলে যায়।
তাতে অবশ্য রনির কোন চিন্তা নেই।
সে জানে নীরা ঠিকি কিছু করবে।
তাতে অবশ্য রনির কোন চিন্তা নেই।
সে জানে নীরা ঠিকি কিছু করবে।
–একি,,নীরা তুমি এখনো ঘুমাচ্ছো??
অফিস থেকে এসেছি খেতে না দিয়ে ঘুমানো হচ্ছে।
ফাইজালামোর সীমা থাকা দরকার।
–রনি কাল আমার জন্মদিন।
.
তো আমাকে কী মরতে হবে??
কথা টা বলেই রনি চলে গেল।
অফিস থেকে এসেছি খেতে না দিয়ে ঘুমানো হচ্ছে।
ফাইজালামোর সীমা থাকা দরকার।
–রনি কাল আমার জন্মদিন।
.
তো আমাকে কী মরতে হবে??
কথা টা বলেই রনি চলে গেল।
আর নীরা ভাবতে লাগল বাবার কথা না শুনে বাসা থেকে চলে আসা ঠিক হয়নি।
.
মেয়েটার সারাদিন টাই কান্না করতে করতে কাটে।
অবশ্যই তাতে ও নিজেকেই দোষি মনে করে।
.
রনি রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।
.আর নীরা সে টেবিলেই বসে আছে।
.
মেয়েটার সারাদিন টাই কান্না করতে করতে কাটে।
অবশ্যই তাতে ও নিজেকেই দোষি মনে করে।
.
রনি রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।
.আর নীরা সে টেবিলেই বসে আছে।
সকালে রনি আর কিছু না বলেই আফিসে চলে গেল।
রাতে ফেরার পথে নীরার জন্য কিছু ফূল,কেক,আর গিফট নিল।
মেয়েটাকে ইদানিং ভালোবাসার সমই পায় না রনি।
কী করবে অফিসে যে প্রচুর কাজের চাপ।
কী করবে অফিসে যে প্রচুর কাজের চাপ।
নাহ এখন থেকে আগে নীরা তারপর বাকী সব।
ভাবতেই খুব ভালো লাগছে রনির।
.
কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখে নীরা সেখানেই বসে আছে।
রনি গিয়ে পিছ থেকে জড়িয়ে ধরে কিন্তু কোন সারা পায় নাহ।
পাশে একটা ছোট বিষের বোতল।
ভাবতেই খুব ভালো লাগছে রনির।
.
কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখে নীরা সেখানেই বসে আছে।
রনি গিয়ে পিছ থেকে জড়িয়ে ধরে কিন্তু কোন সারা পায় নাহ।
পাশে একটা ছোট বিষের বোতল।
তারপর…
রনি এখন পাগল হয়ে ঘুরে বেরায়।
আর নীরা সে তো এখন অন্য জগতে।।।
রনি এখন পাগল হয়ে ঘুরে বেরায়।
আর নীরা সে তো এখন অন্য জগতে।।।
লিখেছেন :Sohel Mia(stupid)






0 comments:
Post a Comment