বালিশের পাশে ফোনটা বেজে উঠলো। ঘুম ঘুম
চোখে বিরক্তি নিয়ে রিসিভ করলাম। ওপাশ
থেকে একটা মেয়ে কন্ঠ শোনা যাচ্ছে....
- আসসালামুআলাইকুম......... বিশেষ অফার,
আজকের মধ্যে ৩৮ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ২
জিবি ইন্টারনেট সাথে ৫০০ এমবি বোনাস.....
যান্ত্রিক কন্ঠটা অনর্গল কথা বলেই যাচ্ছে!
আমার ও গেলো মেজাজ গরম হয়ে। সকালের ঘুম
টা আমার কাছে খুব দামী। কোনো কারনে যদি
ভেঙে যায় ঘুম আর আসে না। যদিও জানি কন্ঠটা
রেকর্ড করা তবুও রাগ মেটানোর জন্যে
ইচ্ছামতো ধোলাই শুরু করলাম......
- এই বেটি চুপ! তোর ইন্টারনেটের খ্যাতা পুড়ি! তুই
আমার সকালের ঘুম টা ভাঙ্গাইছিস, জানিস
কতো সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখতেছিলাম? বিদ্যা
বালানের সাথে উ লা লা গানে ডান্স করছিলাম
এমন সময় তুই দিলি সব শেষ করে, কেনো রে? তোর
কি সহ্য হচ্ছিলো না?
- দুঃখিত স্যার, সঠিক বুঝতে পারলাম না।
আরেকবার বলবেন প্লিজ?
আস্তাগফিরুল্লাহ! ওই মেয়ে আমার কথা শুনলো
কিভাবে? ওটা না রেকর্ড করা কল? তারমানে
কি আমার ধারনা ভুল? কোনো মানুষ নিজে
আমাকে ফোন দিয়েছে? এতক্ষন যে তাহলে
গালাগাল দিলাম? ইস.... মস্ত একটা ভুল করে
ফেললাম বোধহয়!
- ইয়ে মানে আপনি কি আমাকে শুনতে পাচ্ছেন?
আড়ষ্ট কন্ঠে বললাম....
- হ্যা স্যার এখন শুনতে পাচ্ছি, আপনি কি অফার
টি গ্রহন করতে চাচ্ছেন? তাহলে ৩৮ টাকা
রিচার্জ করার সাথে সাথে ব্যালেন্স কেটে
নিয়ে আপনার নেট বান্ডেল অফার চালু করে
দেয়া হবে.....
আমি শুুধু শুনেই যাচ্ছিলাম। ফোন টা কি আদৌ
কাস্টোমার কেয়ার থেকে এসেছে? নাকি স্বর্গ
থেকে? এতো সুন্দর তো মানুষের কন্ঠ হওয়ার কথা
না।
- স্যার আপনি কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?
- জি পাচ্ছি, আমি টাকা রিচার্জ করলে আপনি
অফার এক্টিভেট করে দিয়েন।
- ধন্যবাদ স্যার আর কোনো ভাবে আপনাকে
সাহায্য করতে পারি?
- জি অবশ্যই পারেন! আপনি না পারলে আর কে
পারবে বলেন?
মেয়েটা হাসি চেপে রাখার চেষ্টা করেও ব্যর্থ
হলো, ফোনের ওপাশ থেকে মৃদু হাসির শব্দ কানে
আসছে....
- বলুন স্যার?
- আপনার ফোন নাম্বার টা দেয়া যাবে?
- অবশ্যই স্যার, 123 ডায়াল করলেই হবে!
আমি টাস্কি খেয়ে গেলাম! মেয়ে ও তো আমার
চেয়ে কম যায় না, পুরাই মজা নিচ্ছে.....
- আরে ধুর! আপনার ব্যক্তিগত নাম্বার
চাচ্ছিলাম।
- দুঃখিত স্যার, পার্সোনাল কোনো তথ্য আদান-
প্রদান করার অনুমতি নেই।
- আরে কি স্যার স্যার শুরু করলেন! আমার নাম
শামীম, নাম ধরেই ডাকতে পারেন....
- আমরা সবাইকে স্যার বলেই ডাকি স্যার!
আচ্ছা বুঝতে পেরেছি, আপনি চাইলে আমার
সাথে ফেসবুকে কানেক্ট হতে পারেন। আমার
আইডি নেম Saiful Shamim নিক নেম (হিমুর
জোছনা রাত) আপনি আমাকে মেসেজ দিলে
খুশি হবো.....
- স্যার আপনার কি আর কিছু জানার আছে?
ওর সাথে কথা বলার জন্য বিভিন্ন কিছু
জিজ্ঞেস করতে লাগলাম। কিভাবে FNF করে,
কিভাবে চার্জ প্রযোজ্য সকল সার্ভিস বন্ধ
করতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। কথা বলতে বলতে
প্রায় চল্লিশ মিনিট পার হয়ে গেলো। তবুও
বেচারি ধৈর্য্যের সাথে আমার সকল প্রশ্নের
উত্তর দিয়ে যাচ্ছে।
এতক্ষন কথা বলে ওকে দু চোখে দেখার খুব ইচ্ছে
জাগলো। জানি এখন যদি ফোন টা রেখে দেই
চিরতরে হারিয়ে ফেলবো তাকে। তাই নতুন বুদ্ধি
বের করলাম......
- আচ্ছা আপনাদের কাস্টোমার কেয়ারের
ঠিকানা টা দেয়া যাবে? মানে আপনি এখন
যেখান থেকে বলছেন, আমার সিমে একটা সমস্যা
হয়েছে তো....
সে কাকড়াইলের ঠিকানা দিলো। আর হ্যা
কৌশলে তার নাম টা ও জেনে নিয়েছি
এতক্ষনে। নিরুপমা! নামটা কিন্তু বেশ.....
ব্যস! তাকে খুঁজে বের করতে এতটুকুই যথেষ্ঠ।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম তাকে একনজর
দেখার জন্য হলেও আমি সেখানে যাবো,
যেভাবেই হোক যাবোই.....
সারাটা দিন ওর কন্ঠ কানে বাজলো আমার।
কোনো কাজ-কর্মেই মন বসলো না। গান শুনলেও
মনে হচ্ছে ওর কন্ঠটা ই শুনছি!
কাজ শেষে রাতে বাসায় ফিরেই দিলাম এক ঘুম।
কিন্তু মেসেঞ্জারের টুং শব্দে ঘুম ভেঙে
গেলো। ওয়াইফাই ডিসকানেক্ট করতে মনে নেই,
নাহলে ঘুম টা ভাঙতো না।
তার Hi এর রিপ্লাইয়ে আমি লিখলাম 'আপনি কে
বোন? মাঝ রাতে এখানে কি চান? মাফ করেন,
দয়া করে অন্য দিকে যান, আল্লাহর দোহাই
লাগে আমি একটু ঘুমাবো!'
কিন্তু মেয়ে রিপ্লে মেসেজে যা বললো তার
জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না! সে লিখলো 'চুপ
গাধা! সকালে চল্লিশ মিনিট ঘ্যানঘ্যান করতে
করতে তো আমার কানের পোকা নাড়িয়ে
দিচ্ছিলেন আর এখন আরাম করে ঘুমাচ্ছেন!?'
সেকেন্ডের মধ্যে আমার দু চোখের ঘুম উবে
গেলো। নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছি
না! সত্যি ই তাহলে মেয়েটা আমাকে মেসেজ
দিয়েছে....
- আপনি কি নিরুপমা? সকালে যার সাথে কথা
বললাম?
- জি হ্যা, কেনো সন্দেহ আছে নাকি?
- একটু যে নেই তা নয়, আসলে বিশ্বাস করতে মন
চাইছে না! এও কি সম্ভব?
- আসলেই সম্ভব না, তবে আপনার কথা শুনে তখন
খুব হাসি পাচ্ছিলো, তাই আবার কন্টাক্ট করলাম,
আচ্ছা এতো গাধা কেন আপনি?
- সঠিক জানি না আমি, তবে মা কে জিজ্ঞেস
করে দেখতে পারেন!
- আরেকটা গাধার মতো কথা! হিহিহি.....তবে
গাধা কিন্তু আমার খুব পছন্দ.....
- আপনি যেরকম গাধা পছন্দ করেন আমি কিন্তু
তেমনটা নই। আমার লম্বা কান নেই, লম্বা মুখ
এমনকি লম্বা দাঁত ও নেই.....
- উফ আপনি তো ভারী মজার মানুষ!
- গাধা তো কোনো মজার প্রানী না ম্যাডাম.....
এক কথা থেকে দুই কথা তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা
চ্যাট চললো। আমাদের ব্যক্তিগত ফোন নাম্বার
আদান-প্রদান হলো। কিন্তু ওর ছবি চাইলাম কিন্তু
দিলো না। সে বললো কিছুদিন পর দিবে। তবে
সে কিন্তু আমার প্রোফাইল থেকে ঠিকই আমার
ছবি দেখে নিলো।
পরদিন সকালে আমি তার অফিসের সামনে
হাজির। আমি যে আসবো তাকে জানাই নি।
উদ্দেশ্য তাকে সারপ্রাইয দিবো। যদিও আমি
তাকে দেখি নি। তবে তার নাম বললে নিশ্চই তার
কলিগরা তাকে দেখিয়ে দিবে? অফিস টা
সম্পূর্ন এসি করা। কম্পিউটারের সামনে এক ঝাক
তরুন-তরুনী বসে আছে হেডফোন কানে দিয়ে।
তাদের মধ্যে থেকে এক সুন্দরী মেয়ের কাছে
জানতে চাইলাম নিরুপমার ডেস্ক কোনটা। কিন্তু
সে যা বললো তাতে আমার মাথা খারাপ হওয়ার
দশা! এই নামে নাকি কোনো মেয়েই এই অফিসে
চাকরী করে না। তবে কি সে আমাকে ভুল
ঠিকানা দিলো?
বাসায় এসে তাকে ফোন দিলাম। কিন্তু মেয়েটা
ফোনই ধরছে না! ঘন্টাখানেক পর সে ব্যাক
করলো। আমি তাকে সমস্ত ঘটনা জানালাম।
কাহিনী শুনে সে হাসতে হাসতে শেষ! যেন এই
মাত্র কোনো জোকস বললাম।
- কি হলো হাসছো কেনো?
আমি জানতে চাইলাম....
- আরে বোকা হাসবো না কেনো? আমি তো
অফিসে এই নাম ব্যবহার করি না আমাকে চিনবে
কি করে বলো?
- তাহলে তোমাকে দেখবো কি করে বলো?
- দেখাটা কি খুব জরুরী?
- হ্যা জরুরী....
- এক কাজ করো, কাল বিকেলে ফ্রি আছো?
- হ্যা আছি, কাল কি দেখা হচ্ছে?
- হ্যা তুমি চাইলে অবশ্যই হবে....
কোথায়, কখন আসতে হবে নিরুপমা সব বলে
দিলো। আমিও যথা সময়ে ফিট-ফাট হয়ে হাজির
হলাম। জায়গাটা একটা রেস্টুরেন্ট। ভেতরে
ঢুকতেই এক কর্নারে নজর আটকে গেলো। হলুদ
সেলোয়ার-কামিজ পড়া এক মেয়ে বসে আছে।
আমি তাকেই নিরুপমা বলে সন্দেহ করলাম। তার
পেছনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম....
- নিরুপমা?
মৃদু স্বরে উত্তর আসলো....
- হুম!
আমি তার সামনে সিট দখল করে বসলাম।
চেহারার দিকে তাকাতেই হার্ট ফেল করার দশা
আমার! এই সেই মেয়ে যে গতকাল আমাকে
বলেছিলো নিরুপমা নামের কোনো মেয়ে নাকি
তাদের অফিসে চাকরী করে না! গতকাল ওকে
সারপ্রাইয দিতে গিয়েছিলাম আর আজ নিজেই
সারপ্রাইযড হয়ে গেলাম! মেয়েটা মুচকি মুচকি
হাসছে।
- এটা কি হলো? (আমি)
- কোথায় কি হলো?
- গতকাল এমনটা করলে কেনো?
- মন চেয়েছে তাই!
আমার ভেতর ভেতর খুব রাগ হচ্ছিলো, কিন্তু
বেশিক্ষন রাগ করে থাকতে পারলাম না। সুন্দরী
মেয়েদের ওপর রাগ করে থাকা যায় না।
উপমা আমার ফ্যামিলি সম্পর্কে জানতে
চাইলো। আমি জানালাম আমরা দুই ভাই, আমি
ছোট। উপমা ও তার ফ্যামিলি সম্পর্কে অনেক
কিছু জানালো। সে তার বাবা-মায়ের একমাত্র
মেয়ে। বাবা সরকারি চাকরী করে। আরো অনেক
কিছু....
- উপমা তুমি কি লাভ এট ফার্স্ট সাইটে বিলিভ
করো?
- নাহ...
- আমিও করতাম না, কিন্তু তোমাকে দেখার পর
করছি!
- একটু বুঝিয়ে বলবে প্লিজ?
- মানে আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি
উপমা!
কথাটা শোনার পর অবাক হওয়ার বদলে তার মন
খারাপ হয়ে গেলো।
- কি হলো উপমা? তুমি কিছু বলবে না?
- আমার কিছুই বলার নাই, কারন আমাকে
পাত্রপক্ষ কিছুদিন আগে দেখে গেছে। পছন্দ ও
হয়েছে। এখন শুধু বিয়ের ডেট করা বাকি!
- ধুর এটা কোনো সমস্যা হলো নাকি! দুজন
পালিয়ে গেলেই তো হলো, সমস্যা কি....
- ইস! এতোই সোজা?
- হ্যা এতোই সোজা! তোমার আমাকে পছন্দ
হয়েছে কি না শুধু বলো।
উপমা কিছুক্ষন চুপ করে থেকে হ্যা সূচক মাথা
নাড়লো....
- কিন্তু শামীম তোমার না বড় ভাই আছে? তার
আগেই বিয়ে করে ফেলবা?
- আরে নাহ, ভাইয়ার ও মেয়ে দেখা চলছে।
কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যাবে। তখন আমার
আর কোনো বাধা নেই....মু হা হা হা!
উপমারও আমার সাথে হাসছে। মানুষ হাসলে শুধু
তার মুখটাই হাসছে। কিন্তু তার চোখ, কান, নাক
সবকিছুই যেন মুখের সাথে হাসছে।
খুব ভালো ভাবে চলছিলো আমাদের প্রেম।
ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রেমালাপ হতো। আমরা
একে অপরকে প্রচন্ড কেয়ার করতাম, খোঁজ-খবর
নিতাম। কিন্তু সুখ বেশিদিন স্থায়ী হলো না। ওর
বিয়ের ডেট ঠিক হয়ে গেছে। এখন পালানো
ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। উপমা প্রথমে ভয়
পাচ্ছিলো আমার ফ্যামিলি তাকে মেনে নেবে
কি না! আমি তাকে অভয় দিলাম আমার বাবা-মা
মোটেও সেরকম নয়! আমি বাবা-মায়ের অনুমতি
নিয়েই তাকে নিতে এসেছি....
ঘুটঘুটে এক অন্ধকার রাতে দুজন বেরিয়ে পড়লাম।
উপমা আমার হাত শক্ত করে ধরে আছে, ছেড়ে
দিলে হয়তো হারিয়ে যাবো এই ভয়ে! তার কথা
চিন্তা করেই আমার অবাক লাগছে। মেয়েটা
কতো ভরসা করে আমার উপর, অথচ বেশিদিন হয়নি
আমার সাথে পরিচয় হয়েছে। তার জন্যই কি না
বাবা-মা ছেড়ে চলে আসছে.....
বাবা-মা আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো কখন
আমি উপমা কে নিয়ে ফিরবো। সত্যি এমন বাবা-
মা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। কোনো বাবা-মা ই
ছেলেকে পালিয়ে বিয়ে করতে সাহায্য করে
না। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে একেবারেই
ব্যতিক্রম....
উপমা কে নিয়ে যখন বাবা-মায়ের সামনে
উপস্থিত হলাম তখন তারা খুশি হওয়ার বদলে
অবাক হয়ে গেলো। মা আমাকে এক হাত ধরে টান
দিয়ে ভেতরের রুমে নিয়ে গেলো....
- এ কি করেছিস হতচ্ছাড়া! তোর বড় ভাইয়ের বৌ
কে তুলে নিয়ে এসেছিস.....
- মা এসব তুমি কি বলছো তুমি!!!
- হ্যা আমি ঠিকই বলছি, এই মেয়ের সাথেই তোর
বড় ভাইয়ের বিয়ের কথা-বার্তা পাকা হয়েছে।
মায়ের কথা শুনে হাসবো না কাদবো বুঝতে
পারছি না! এমন সময় পেছন থেকে বড় ভাইয়া উদয়
হলো। আশ্চর্য হলেও সত্য সে হাসছে!
আমি উপমার কাছে গিয়ে সব খুলে বললাম। ঘটনা
শুনে সে বড় রকমের শক খেলো। আমি তাকে
বললাম আমার বড় ভাই কে বিয়ে করতে হবে।
কিন্তু সে কিছুতেই রাজি হলো না। কারন সে
আমাকে ভালোবাসে আমার বড় ভাই কে না। আর
এ ও বললো আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে
করতে হলে নাকি সে আত্নহত্যা করবে!
আমি মন খারাপ করে বারান্দায় দাড়িয়ে রইলাম।
ভাবছি কি করা যায়। পেছনে তাকিয়ে দেখি
বাবা-মা আর বড় ভাইয়া দাড়িয়ে আছে। ভাইয়া
আমাকে যা বললো তাতে অবাক হয়ে গেলাম!
- কিরে এতো কি ভাবছিস! যে তারিখে বিয়ের
কথা ছিলো সে তারিখেই বিয়ে হবে শুধু পাত্র টা
চেঞ্জ হয়ে যাবে, বড় ভাইয়ের জায়গায় ছোট
ভাই চলে আসবে! কি খুশি তো?
খুশিতে আমার নাচতে মন চাচ্ছে। কিন্তু সেটা
প্রকাশ করলাম না। লজ্জা-শরম বলে তো একটা
কথা আছে নাকি!
মনে মনে ভাবলাম আহ কতো সৌভাগ্যবান আমি!
কতো ছেলে-মেয়ে তার মনের মানুষ কে বিয়ে
করতে না পেরে আত্নহত্যা করেছে আর আমি
কিছুদিন পরই আমার ভালোবাসার মানুষটা কে
নিয়ে ঘর-সংসার করবো! ভাবতেই ভালো
লাগছে....
আর হ্যা আরেকটা গোপন কথা বলি! আমার বাসর
রাতের জন্য আর তর সইছে না......
(সমাপ্ত)
Comment please.







0 comments:
Post a Comment