বৃষ্টি
অবিরাম ঝড়েই যাচ্ছে একটু বিরাম নেওয়ার প্রশ্ন উন্মেচন করছে নাহ্।খারাপ নয়
ভালোই লাগছে বৃষ্টি পড়ার নান্দনিক দৃশ্য এবং অদ্ভুত শব্দ যেন সমস্ত শহরে
বৃষ্টির কোলাহল সৃষ্টি।
আর হ্যা আমি কৌশিক,আমি বেলকোনিতে দাড়িয়ে মনে মনে পূর্বের কথা গুলিই বলছিলাম।
নীল গগনটা গম্ভীর মনোভাব প্রকাশ করেছে,মনে হচ্ছে মন ভালো নেই।
এই সকল কথ্য বলতে বলতে পাশের অট্টলিকায় বেলকোনিতে দাড়িয়ে থাকা এক
বৃষ্টিস্নাত তনয়ার আগমন,হস্তে তাহার এক কাপ কফি।মনে হচ্ছে নেই তার
বিদ্বেশ,নেই সংকোচ,একটি পরিপূর্ণ ব্যাক্তি মাএ।
দিনপঞ্জিকার প্রায় শুভ মুহূর্তে দেখা যায় পরিচিত সেই অট্টলিকার বেলকোনিতে।আর হ্যা বৃষ্টিস্নাত তনয়ার নাম,জাকিয়া তাহসিন সুইটি।
আমাকে দেখে বৃষ্টিস্নাত লজ্জা পেয়ে পালিয়ে যেত আবার পালিয়ে গিয়ে আড়াল থেকে
আমার দিকে লক্ষ্য রাখত।তদ্রুপ আমিও দৃষ্টি প্রেরন রাখতাম।ঠিক এই ভাবে
সময়টা অতিবাহিত হতে থাকে,একটা সময় আমার মাঝে কৌতূহল দৃঢ় ভাবে বৃহত্তম রূপ
নেই।
আমাদের মাঝে অক্ষির সাহায্যে কথোপকোথন হতো।দৃঘ্য দিন এই ভাবে
অতিবাহিত হবার পর আমরা চিরকুট লিখতে থাকি যাতে স্বল্প কথ্য সিমাবদ্ধ
থাকতো।একটা সময় বহুল কাঙ্খিত ভালোবাসা শব্দটি পরিপূর্ণতা অর্জন করে।
আমাদের দেখা হতো প্রত্যেক দিন,হতো কথা বলার সুযোগ কত স্মৃতি জড়িত অধ্যায় যা ভুলে যাবার নয়।
সবার কপালে সুখ সহে না ঠিক এমন মানুষের মাঝে হয়তো আমি এক জন!
দিনপঞ্জিকার শুভক্ষন হয়তো বিচ্ছেদ এর কাঙ্খিত রূপটিকে সহ্য করেছিলো।
দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার,সম্পূর্ণ উন্মুক্ত গম্ভীর নীল গগনটি মেঘ দ্বারা
আচ্ছন্ন,দেখা করার জন্যে আমি উপস্থিত হই সেই সম্পূর্ণ উন্মুক্ত
স্থানে।দৃঘ্য অপেক্ষার পর আমার বৃষ্টিস্নাত এর ফোন।ফোনটি রিসিভ করা মাত্র
আর্তনাদ এর উচ্চারণ,হৃদপিন্ডটি কম্পিত শুরু করলো।ফোনের অপর পাশ থেকে সহস্র
কান্না কন্ঠে জড়ানো,জাকিয়া তাহসিন সুইটি আর নেই,সরক দূর্ঘটায়......! কি
করবো বুঝে ওঠার পূর্বেই ফোনটি হস্তে থেকে ভূপৃষ্ট স্পর্শ করলো।
আজ সেই
বিচ্ছেদ এর অধ্যায়ের একযুগ পরিপূর্ণ হলো।সেই অট্টলিকায় বেলকোনি এখনও দৃঢ়
ভাবে দাড়িয়ে আছে কিন্তু নেই,সেই স্মৃতির আচড় কাটানো ব্যাক্তিটি।অক্ষির জল
নিঃশেষ এখন আর জল আসে না অক্ষিতে।কেন জানি হৃদপিন্ড পাশান হয়ে গিয়েছে।
এমনটি বলতে বলতে অক্ষিটি মুছে নিলাম







0 comments:
Post a Comment